অভিজ্ঞতাই শিরোপা জেতাল খুলনাকে

3

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম কোয়ালিফায়ারে মাশরাফি বিন মুর্তজার ৫ উইকেটে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লেখায় জেমকন খুলনা। শুক্রবার রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে চট্টগ্রামকে ৫ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের শিরোপা জিতেছে খুলনা। ফাইনালে নায়ক আরেক অভিজ্ঞ তারকা মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। অধিনায়কের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে (৪৮ বলে ৭০) ১৫৫/৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় খুলনা। নেতৃত্বেও অভিজ্ঞতার ছাপ। মাহমুদ উল্লাহর দারুণ নেতৃত্বে শেষ ওভারে ফাইনাল জিতে নেয় খুলনা। পেসার শহীদুল ইসলামের করা শেষ ওভারে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। চট্টগ্রামের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখা সৈকত আলীকে ফিরিয়ে (৪৫ বলে ৫৩) জয় নিশ্চিত করেন শহীদুল।

তার আগে শহীদুল ফেরান মোসাদ্দেক হোসেনকে। শেষ ওভারে ১০ রান তুলে ১৫০/৬ রানে থামে চট্টগ্রাম।

পুরো আসরে আলো ছড়ানো চট্টগ্রামের দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার ফাইনালে ব্যর্থ।আসরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক লিটন (৩৯৩ রান)। ২৯২ রান করে আসরের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সৌম্য সরকারের। ১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে ১২ রান করে ফেরেন সৌম্য। ২৩ বলে ২৩ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন লিটন। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (৫ বলে ৭) দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ।

চারে নামা সৈকত আলীর ব্যাটে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখে চট্টগ্রাম। একপ্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান সৈকত আলী। তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ শামসুর রহমান (২১ বলে ২৩) ও মোসাদ্দেক হোসেন (১৪ বলে ১৯)।

পাঁচদিন আগে বাবাকে হারানো শহীদুল ইসলাম করেন দুর্দান্ত বোলিং।১৮তম ওভারে দেন ১১ রান। শেষ ওভারে ১০ রান দিলেও সৈকত আলী ও মোসাদ্দেক হোসেনকে ফিরিয়ে ফাইনালের অন্যতম নায়ক আসরে ১৫ উইকেট নেয়া শহীদুল।

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই নাহিদুল ইসলামের বলে ফেরেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম। দলীয় ২১ রানের মাথায় নাহিদুলের দ্বিতীয় শিকার ইমরুল কায়েস (৮ রান)। আরেক ওপেনার জাকির হাসান (২০ বলে ২৫) ভালো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মাহমুদ উল্লাহকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি আরিফুল হক (২৩ বলে ২১)। শুভাগত হোম ফেরেন ১২ বলে ১৫ রান করে। একপ্রান্তে মাহমুদ উল্লাহর ব্যাটে ঝড় অব্যাহত। সৌম্য সরকারের করা শেষ ওভারে মাহমুদ উল্লাহ এক ছক্কা আর দুই বাউন্ডারিতে নেন ১৭ রান। অধিনায়কের ব্যাটে খুলনা পায় ১৫৫/৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ। দুটি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here