করোনায় নিরাপদ বাংলাদেশ

2

অনলাইন ডেস্ক : করোনায় আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে করোনায় এখন নিরাপদ বাংলাদেশ। গতকাল রাজধানীর শিশু হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার ক্যাম্পে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত মার্চে কোভিড যখন দেশে প্রথম চলে আসে, তখন নানা মানুষ নানারকম জল্পনা-কল্পনা করতে থাকে। তখন বলা হতো, বাংলাদেশে মানুষের লাশ রাস্তায় পড়ে থাকবে। করোনায় লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে। অথচ কোভিডে আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার বাংলাদেশে সবচেয়ে কম।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে করোনায় এখন নিরাপদ বাংলাদেশ।
জাহিদ মালেক বলেন, করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী ভারত বা ইউরোপ-আমেরিকার থেকে অনেক ভালো অবস্থায় আছে। সবকিছুই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঠিক দিকনির্দেশনা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস ঠেকাতে সাবধানতার কোনো বিকল্প নাই। সাবধানতা অবলম্বন করলেই কেবল এই ভাইরাসকে ঠেকানো যাবে। শুধু ভ্যাকসিনের মাধ্যমে যে করোনা ঠেকানো যাবে তা নয়।’ তিনি বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই ভাইরাস কাউকে ছাড়ছে না। বৃটিশ প্রাইম মিনিস্টারও আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসকে অনেক নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন, আজকের প্রতিটি সুস্থ শিশুই আগামী দিনের উজ্জ্বল বাংলাদেশের কাণ্ডারি হবে। শিশুকে টিকা দিলে সে ভবিষ্যতের সুস্থ ও মেধাবী সন্তান হবে। এই সন্তান ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। একটি রোগাক্রান্ত সন্তান একটি পরিবারের জন্য অনেক কষ্টের কারণ। তাই দেশে একটি শিশুও যেন রোগাক্রান্ত হয়ে না জন্মায়, সেজন্য সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিটি এলাকায় মায়েদের টিকাদান কেন্দ্রে পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ৪ঠা অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর সারা দেশের সব ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফা কামালের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ, লাইন ডিরেক্টর ডা. এসএম মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here