কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

15

যথাযােগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভির্যের সাথে বাংলাদেশ হাইকমিশন, অটোয়া, কানাডা গত ২২ জুন ২০১৯ তারিখ বিকালে হাইকমিশন চত্বরের মিলনায়তনে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। শুরুতেই অনুষ্ঠানের সভাপতি মান্যবর হাইকমিশনার জনাব মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবিস্মরণীয় অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর জীবন এবং সাহিত্যকর্মের উপর সংক্ষিপ্তআলোকপাত করেন। বক্তব্যে মান্যবর হাইকমিশনার ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক কাজী নজরুল ইসলামকে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক উদ্যোগে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের অর্থায়নে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ভবন স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন।
হাইকমিশনের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মিস ফারহানা আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রথমে সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করা হয় – আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে। পরবর্তীতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী মাসরুর। এর পরে রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন রুয়েনা বেগম, শামা, ফারাহ্ নাজ, শিউলী হক, ডালিয়া ইয়াসমিন এবং নাদিরা হক। নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন কাউন্সেলর (পাসপাের্ট ও ভিসা) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এবং কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান ফারহানা আহমেদ চৌধুরী। কবিতা আবৃত্তি করেন গিয়াস ইকবাল সােহেল এবং শিউলী হক। তবলায় সহযােগিতা করেন সাদি রােজারিও। বহু প্রবাসী বাংলাদেশী এবং সংবাদ প্রতিনিধি অনুষ্ঠানটি উপভােগ করেন। সবশেষে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলকে আপ্যায়ন করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here