খালেদার সাজা মওকুফের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

1

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ মওকুফের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়াতে আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইসকান্দার। একই সঙ্গে দণ্ডাদেশ মওকুফ করা যায় কি না, সে প্রসঙ্গেও খালেদা জিয়ার পরিবার আর্জি জানিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আবার সাজা স্থগিতের সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে। এ ছাড়া আরও কিছু শর্ত শিথিল চেয়েছে। আমরা এখন সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে, যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।’

আবেদনে তারা কী চেয়েছেন-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাকালীন চিকিৎসা নিতে পারেনি, সেটা জানিয়েছেন এবং তার দণ্ডাদেশ মওকুফ করা যায় কি না, সেটা সম্পর্কেও তারা বলেছেন।’

এখন পরবর্তী প্রক্রিয়াটা কী-এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো বলছি এটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। আইন মন্ত্রণালয় থেকে মতামত এলে আমাদের যথাযোগ্যদের সঙ্গে আলাপ করে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তারা বিদেশে যাওয়ার আবেদন করেছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা সব সময় চিঠিতে লেখা থাকে। রেফারেন্সে থাকে বিদেশে যাওয়ার, সেরকম লেখা থাকে, কিন্তু উনিতো এখনো কারাগারেই রয়েছেন। তার বাড়িটা এখন কারাগার হিসেবেই তিনি এখানে আছেন।’

সাজা মওকুফের কোনো সুযোগ আইনগতভাবে আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তারা চেয়েছে, আমরা পরীক্ষা করে দেখছি। আমি তো আগেই বলেছি আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় যতখানি সম্ভব সেটুকু ব্যবস্থা করছেন।’

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। গত বছর ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে ২৫ মাস কারাভোগের পর সরকার শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য দণ্ড স্থগিত করে। এরপর দ্বিতীয় দফায় ফের ছয় মাস সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে মেয়াদ আগামী ২৫ মার্চ শেষ হচ্ছে।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here