চার মাস যেভাবে কাটালেন শাকিব খান

2

বিনোদন ডেস্ক : শাকিব খান ঢালিউডের আশার প্রতীক। ব্যস্ততায়ও। গত এক দশক এত ব্যস্ত কেটেছে তাঁর, নিজের দিকে তাকানোর সময়ও হয়নি। করোনার লকডাউনে নিজের দিকে মনোনিবেশ করতে শুরু করেন শাকিব। গত চার মাস কী করে কাটালেন তিনি?

লকডাউনে নায়ক-নায়িকাদের ভিন্ন ভিন্ন লুকে দেখা গেছে। কাউকে টেলিভিশনে, কাউকে অনলাইনে। কিন্তু শাকিব ছিলেন না কোথাও। গুলশানের বাড়িতে অনেকটা ঘরবন্দীই ছিলেন তিনি। মা-বাবার সঙ্গে কাটিয়েছেন। মাঝেমধ্যে বোনের বাড়িতে যেতেন। বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিজের অফিস, এক পাশে ব্যায়ামাগার। সকাল-সন্ধ্যা দুবেলা শরীরচর্চা করেন তিনি।

ঘরবন্দী থাকতে থাকতে একসময় একঘেয়েমি লাগত তাঁর। সন্ধ্যার পর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। ঘুরে ঘুরে শহর দেখেন। পথের মানুষদের অন্য রকম জীবন তাঁকে ভাবিয়েছে। কখনো কাঁদিয়েছে। শুধু তা–ই নয়, চলচ্চিত্রের যাঁরা অর্থকষ্টে ছিলেন, শাকিব তাঁদেরও সহায়তা করেছেন।

শুটিং নেই। তাই অনেক পরিকল্পনা করে রেখেছেন শাকিব খান। সিনেমা নিয়ে ভিন্ন রকম চিন্তাভাবনা করেছেন। লকডাউন শিথিল হলে কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে নিয়মিত মিটিং করেছেন। কারও সঙ্গে আবার ফোনে কথা বলেছেন। চিত্রনাট্য পড়েছেন ২০টিরও বেশি। ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার কয়েকটি ছবি নির্মাণের পরিকল্পনাও করেছেন। ভারতের কয়েকজন নির্মাতা-প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান তাঁর সঙ্গে কাজের ব্যাপারে বেশ আগ্রহী। ঈদের পর জানাবেন হয়তো নিজেই।

ছবির ব্যস্ততায় বৈষয়িক দিকে তাকাতে পারতেন না শাকিব। এবার পারলেন। গুলশানের নিকেতনে বাড়িটার নির্মাণকাজ দেখভাল করছেন। এই বাড়িতে বছর শেষে উঠবেন তাঁরা। একদম ওপরের তিন ফ্লোরে থাকবেন তিনি। তাই মনের মতো করে নকশা করেছেন। পুবাইলে জান্নাত নামে যে শুটিংবাড়িটি ছিল শাকিবের, করোনায় সেটিরও সংস্কার করেছেন। জানালেন, ‘একদম ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হচ্ছে বাড়িটি। প্রচুর গাছ লাগানো হচ্ছে, সুইমিং পুল হচ্ছে।’

ঘরে বসে প্রচুর সিনেমা দেখেছেন শাকিব খান। সেসবের মধ্যে তুরস্ক ও কোরীয় ছবিই বেশি। ব্যস্ত নায়কের দীর্ঘ অবসর থাকলেও টেলিভিশন চ্যানেলের দিকে তাকালে মনে হবে না অবসর চলছে। দেশে অনেক টেলিভিশন চ্যানেল। প্রায় প্রতিটি চ্যানেলেই থাকবে শাকিব খানের ছবি। এক নাগরিকেই দেখা যাবে ২২টি সিনেমা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here