চীনের সহায়তায় উন্নয়নের জোয়ারে পাকিস্তান

3

অনলাইন ডেস্ক : পাকিস্তানে একযোগে ব্যাপক ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান এবং সমাপ্ত প্রকল্পগুলির উদ্বোধন পরিলক্ষিত হয়েছে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, দেশটির অর্থনৈতিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে চায়না-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর-সিপিইসি’র সহায়তায় পাকিস্তানে উন্নয়নের নতুন জোয়ার তৈরি হয়েছে এবং প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। সিপিইসি’র প্রকল্পগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাঁধগুলো পাকিস্তানকে তার ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে পরিবার, শিল্প, খাদ্য উৎপাদন এবং সারা বছর ধরে একটি টেকসই পানি প্রবাহসহ সস্তায় বিদ্যুতের যোগান দেবে। সিপিসি’র অধীনে পাকিস্তানের স্পেশাল ইকোনমিক জোন-এসইজেড গোয়াদার বন্দর উন্নয়ন এবং বেশকিছু সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির কাজও তরান্বিত করেছে।

দেশটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ জাতীয় সংযোগগুলো অনেকের জন্য জীবিকার উৎস্য এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে দারিদ্র্য মোকাবেলায় সহায়তা করবে। উদাহরণস্বরূপ, রাশাকাই এসইজেড পাকিস্তানের সম্প্রতি একীভ‚ত জেলা খাইবার-পাখতুনখোয়াতে ব্যবসায়ের সুযোগ তৈরি করবে। এটি দেশটির দারিদ্র্য মোকাবেলায় এবং উন্নত অর্থনীতির মাধ্যমে শান্তির প্রবাহে সহায়তা করবে। সেখানকার গোয়াদার বন্দর এবং ফ্রি ইকোনমিক জোনের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। গোয়াদার বন্দর ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং আফগানিস্তানের সাথে ট্রানজিট বাণিজ্য সহজতর করে দিয়েছে। গোয়াদারের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট বাণিজ্যকে আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং এর বাইরেও আরো এক ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে পাকিস্তান। পাকিস্তান সরকার ফ্রি ইকোনমিক জোনের জন্য একটি বিশেষ উৎসাহমূলক নীতিও ঘোষণা করেছে, যা আগামী দিনে বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করবে। দেশটির উপক‚লীয় অঞ্চলে ইকো ট্যুরিজম উন্নয়নের কাজও পুরোদমে চলছে। পাকিস্তানের সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোও একটি নতুন গতি পেয়েছে। চীন এ বছর পাকিস্তানে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ ইতোমধ্যে আরো ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাড়িয়েছে। লক্ষ্যণীভাবে দেশটির কৃষিখাতের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ১০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আবাসিক চাহিদা পূরণের জন্য আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রগুলোকে প্রতিটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সূত্র : দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here