পৃথিবীর বুকে প্রথম – কানাডার অটোয়ায় প্রতি বছর ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষ পালন করার ঘোষণা

22

পৃথিবীর বুকে প্রথম – কানাডার অটোয়ায় প্রতি বছর ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষ পালন করার ঘোষণা ।

 মুজিব বর্ষ উপলখ্যে কানাডা ডাক বিভাগের স্বারক ডাক টিকেট উম্মচনের মধ্য দিয়ে –

এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন পত্র প্রদানের মাধ্যমে  

 বাংলাদেশ হাইকমিশন এর উদ্যোগে  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের   জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করা হয়। কানাডা রাজধানী অটোয়া, বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতির জনক ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ মার্চ বিকাল ৫ টায়, বাংলাদেশ হাইকমিশন কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস এর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।এরপর বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

প্রথম সচিব মিস অর্পনা রানী পাল এর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে বঙ্গবন্ধুর জীবন  আদর্শ, তাঁর বর্ণিল রাজনৈতিক জীবন এবং দেশপ্রেমের উপর মতামত ব্যক্ত করেন- প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক কবির চৌধুরী, শরীফ ইকবাল চৌধুরী ও শাহ বাহউদ্দিন শিশির।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মান্যবর হাইকমিশনার মিজানুর রহমান, বলেন- জন্মশত বার্ষিকী  উদযাপন আমাদের সকলের জন্য আনন্দের একটি মুহূর্ত। আমাদের সকলকে বঙ্গবন্ধুর জীবন, দেশের প্রতি তার ভালবাসা, ত্যাগ ও আদর্শ সম্পর্কে জানতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে  জানাতে হবে।

এ দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত  মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে জনাব চিরঞ্চীব সরকার, উপ-হাইকমিশনার, জনাব মিয়া মোঃ মাইনুল কবীর, মিনিস্টার, জনাব মোঃ সাখা্ওয়াৎ হোসেন, কাউন্সেলর এবং জনাব দেওয়ান হোসনে আইয়ুব, কাউন্সেলর।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ উদ্যোগে কানাডা ডাক বিভাগ মুজিব শত বর্ষের স্মারক ডাক টিকেট প্রকাশ করে। হাইকমিশনার মিজানুর রহমান-  বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকেটের আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন-  অটোয়ার  মেয়র Mr. Jim Watson ১৭ মার্চ ২০২০ কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য যে, ১৭ মার্চকে মান্যবর মেয়র Mr. Jim Watson মুজিব দিবস ঘোষনার প্রেক্ষিতে অটোয়াস্থ প্রবাসী বাংলাদেশের সংগঠন BACOV এর সম্পৃক্ততার বিষয়টি মান্যবর হাইকমিশনার মহোদয় প্রশংসা করেন।

আরো উল্লেখ্য যে,  এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিশেষ বানী প্রেরণ করেন।  অনুষ্ঠানের শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাগফেরাত কামনা করে  বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন- সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম ।

শরীফ ইকবাল চৌধুরী.

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here