বাইডেনের পক্ষে ভোট চাইলেন হিলারি

2

অনলাইন ডেস্ক : দলীয় প্রার্থী জো বাইডেনের পক্ষে ভোট চাইলেন হিলারি ক্লিনিটন। সঙ্গে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের পরাজয়ের ক্ষতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। জনগণকে আহ্বান জানালেন ভোটের দিন ভোট দেয়ার জন্য বেরিয়ে আসতে এবং ভোট দিতে, যাতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে ভোট ‘চুরি’ করতে না পারেন। তিনি বলেন, আমি চেয়েছিলাম ট্রাম্প ভাল একজন প্রেসিডেন্ট হবেন। কিন্তু দুঃখজনক হলো, তিনি যা ছিলেন, তিনি তা-ই। যুক্তরাষ্ট্রে এমন একজন প্রেসিডেন্ট দরকার, যিনি ধৈর্য ধারণ করবেন, স্থির সংকল্প আছে এবং হোয়াইট হাউজের নেতৃত্ব আছে। এমন একজন প্রার্থী হিসেবে তিনি জো বাইডেনকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানালেন।
ট্রাম্পের সমালোচনা করে হিলারি বলেন, আমি ভেবেছিলাম কিভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে হয়, তা হয়তো ট্রাম্প জানেন।

এ সময় তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে সমালোচনায় লিপ্ত হন। নিউ ইয়র্কের চ্যাপাকে নিজের বাসা থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক ফার্স্টলেডি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি। এ সময় তিনি জো বাইডেন ও তার নীতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। বার বার উল্লেখ করেন বাইডেনের রানিংমেট সিনেটর কমালা হ্যারিসের নাম। এ সময় তিনি নিজের নির্বাচনের সময় কমপক্ষে ৩০ লাখ বেশি ভোটের কথা তুলে ধরেন। সেদিকেই ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ভুলে যাবেন না যদিও জো বাইডেন এবং কমালা হ্যারিস ৩০ লাখের বেশি ভোটে জিততে পারেন, তবুও তারা হেরে যেতে পারেন। এই শিক্ষাটা আমার কাছ থেকে নিন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি পপুলার ৩০ লাখ ভোট বেশি পেয়েছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেক্টরাল ডেলিগেট ব্যবস্থায় তিনি হেরে যান। সেদিকে ইঙ্গিত করে হিলারি বলেন, এ জন্য আমাদেরকে ব্যাপক সংখ্যায় বেরিয়ে আসতে হবে। বেশি ডেলিগেট পেতে হবে, যাতে নিজের বিজয়ের জন্য ট্রাম্প ভোট ‘চুরি’ করতে বা ছিনিয়ে নিতে না পারেন।
হিলারি আরো বলেন, সাবেক ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা ও সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স আমাদেরকে সতর্ক করেছেন- যদি ট্রাম্প আবার নির্বাচিত হন তাহলে সবকিছু আরো খারাপ অবস্থায় যাবে। তাই অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আমাদেরকে বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ সময় তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনের সময়ের স্মৃতি সামনে আনেন। ওই সময় ট্রাম্প জানতে চেয়েছিলেন- আপনাদের হারাবার কি আছে? হিলারি বলেন, এখন আমরা জানি হারাবার কি আছে। আমাদের স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং আমাদের প্রিয়জন। বিশ্বে আমাদের নেতৃত্ব এমনকি আমাদের পোস্ট অফিস হারানোর ভয় আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here