বাইডেন দুর্বল প্রেসিডেন্ট, যুদ্ধ বাধাতে পারেন :চীনা বিশেষজ্ঞ

8

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব আবারও প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ কারণে তার প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। চীনের এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, জো বাইডেন খুবই দুর্বল প্রেসিডেন্ট হবেন। তিনি যুদ্ধও বাধিয়ে দিতে পারেন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাত দিয়ে এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চীনা সরকারের এক জন উপদেষ্টা ও শেনঝেনভিত্তিক থিংকট্যাংক অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব গ্লোবাল অ্যান্ড কনটেম্পোরারি চায়না স্টাডিজের ডিন ঝেং ইয়ংনিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সময় ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক হতে থাকবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। এর বদলে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের বিষয়ে বেইজিংকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তার মতে, চীন সরকারের উচিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানো।

সম্প্রতি গুয়াংজুতে আন্ডারস্ট্যান্ডিং চায়না কনফারেন্সের সাইডলাইনে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, সুসম্পর্কের পুরোনো দিন শেষ। যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধের পরিস্থিতি কয়েক বছর ধরেই চলছে আর এ অবস্থা রাতারাতি শেষ হবে না।

ঝেং ইয়ংনিয়ান বলেন, চীনের সঙ্গে সমন্বয় করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এই মুহূর্তে কোনো সর্বদলীয় ঐকমত্য নেই। হোয়াইট হাউজে প্রবেশের পর চীন নিয়ে মার্কিন জনগণের মধ্যে তৈরি হওয়া বিরক্তির সুযোগ নিতে পারেন বাইডেন। মার্কিন সমাজ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বাইডেন এ নিয়ে কিছু করতে পারবেন বলে আমার মনে হয় না। তিনি নিশ্চিতভাবেই এক জন দুর্বল প্রেসিডেন্ট হবেন, অভ্যন্তরীণ ইস্যু যদি তিনি সামাল দিতে না পারেন, তাহলে কূটনৈতিক ফ্রন্টে কিছু ঘটাতে পারেন। চীনের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারেন। আমরা হয়তো বলি ট্রাম্প গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সমুন্নত রাখায় আগ্রহী ছিলেন না, বাইডেন আগ্রহী। কিন্তু ট্রাম্প যুদ্ধে আগ্রহী ছিলেন না। বাইডেন যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারেন।

করোনা মহামারি, বাণিজ্য এবং মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। বাইডেনের অধীনেও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন চীনা বিশেষজ্ঞরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here