ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা

8

অনলাইন ডেস্ক : ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কটূক্তি করার অভিযোগ এনে আজ সোমবার সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলা করেন গৌতম কুমার নামে রাজধানীর ভাষানটেকের এক সমাজসেবক।

তাকে আইনগত সহায়তা করেন এডভোকেট সুমন কুমার রায়। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সঞ্চয় কুমার দে দুর্জয়। সুমন কুমার রায় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯শে জুলাই ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন ফেসবুকে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম। হয়তো দুই একটি খবর নিউজে প্রকাশিত হয়। এছাড়া আরও অনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়, তাদের নৃশংসতার আড়ালে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল সনাতন ধর্ম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মিথ্যা, অশ্লীল চরম আপত্তিকর মন্তব্য করেন। যার ফলে হিন্দু সমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে এ বিষয় নিয়ে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
আসামির এ রকম আচরণ এবং সোস্যাল মিডিয়ার অশ্লীল অবমাননাকর ও অরুচিপূর্ণ বক্তব্যর ফলে রাষ্ট্র ও হিন্দু সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে। আসামির এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রধানের ফলে সাধারণ জনগণ নীতিভ্রষ্ট, অসৎ হইতে উদ্ধত হওয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার সম্ভবনা আছে।

এদিকে এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সুমন আগে থেকেই বলে আসছেন তার নামের এই ফেসবুক আইডিটি ফেক। তিনি গত ২০শে জুলাই তার ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেন, ‘আমার নাম ব্যবহার করে একটি ফেক পেজ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষেদগার করছে। আমি এ বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। আপনারা সচেতন থাকবেন। এটাই আমার একমাত্র পেজ যার ফলোয়ার ২০ লাখের অধিক।

উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সুমনের করা মামলা খারিজ করে দেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই প্রসিকিউটন

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here